Monthly Archives: October 2014

আমার মাসতুতো ভাই মিন্টু দিল্লীতে থাকে। ওর বয়স ১৭ আর সবে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছে। খুব ভাল ছাত্র। শুনেছি নাকি ও ভালো কলেজেও চান্স পেয়েছে। আমার মা মিন্টুর বাবার একমাত্র বোন। তাই আমরা ওনাকে মামাবাবু বলে ডাকতাম। আমি কলকাতাতে থাকি আমার মা বাবা আর দুই ভাইকে নিয়ে। পরিবারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমাদের দেখা হত, তাই আমরা সবাই সবাইকে ভালমতো জানতাম আর ভাল সম্পর্ক ছিলো। আমি লেখাপড়ায় খুব একটা ভাল ছিলাম না। শুধু মস্তি করতে আমার ভাল লাগতো। সেইবার শুনি মিন্টুরা আমাদের বাড়িতে আসছে। ওদের বাড়িতে আনার দায়িত্ব আমার উপরে পড়লো। ওরা ষ্টেশনে আসা মাত্র আমি ওনাদের… Read Article →

আমাদের ছোট শহরের এক কমিউনিটি সেন্টারে ছোট এক অনুস্টানে আমাদের বিয়ে হয়। হাসান সাহেবের এই বুড়ো বয়েসে বিয়েতে তাদের পরিবারের কেউ তেমন রাজী ছিল না। তাই হয়ত তেমন কেউ আসেনি। বিয়েতে বর পক্ষের যাদের দেখা গেল তারা সবাই অফিসের লোক। সন্ধ্যায় সব অনুস্টান শেষে আমার বিদায় হল। লালা বেনারশী পড়ে আমি গিয়ে হাজির হলাম আমার নতুন ঠিকানায়। দোতালা বাড়ী, কেমন ফাকা মনে হচ্ছে। এতে বিয়ে বাড়ির মতন কোন আমেজ নেই। একজন কাজের মেয়ে ও কাজের লোক এসে আমাকে দোতালায় নিয়ে গেল।

হেমন্ত কাল।বেলা ছোট হয়ে এসেছে,কলেজ থেকে ফিরছি,বেদম হিসি পেয়েছে। তিনতলায় আমাদের ফ্লাট,উপরে উঠতে উঠতে প্যাণ্ট না ভিজে যায়।কোনো রকমে চেন খুলে ফ্লাটের নীচে নর্দমায় বাড়া বার করে দাড়িয়ে গেলাম।এতক্ষণে বাড়া ফুলে ঢোল হয়ে ছিল।ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল।উপরে তাকাতে নজরে পড়ল আমাদের ব্যালকনিতে দাড়িয়ে মধ্যবয়সসী এক মহিলা দূর আকাশের দিকেদৃষ্টি প্রসারিত।যাঃ শালা দেখেনি তো?ফ্লাটের দরজায় পৌছে টের পেলাম ভিতরে অতিথি সমাগম ।দরজা খুলে মা বলল,রেবেকা এসেছে।

পাপিয়া আসমার মাসীর একমাত্র মেয়ে। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। বয়স পনের বছর। দেখতে রীতিমতো সুন্দরী। কোমড় সরু, পাছা চওড়া – এক কথায় সুন্দরী বলতে যা বোঝায়। দুবছর আগে বেশ কয়েকদিন আমাদের বাড়িতে এসে থেকেছিল। একদিন পাপিয়া বাথরুমে ঢুকল সড়বান করতে। আমি বাথরুমের দরজায় একটা ফুটো দিয়ে ভেতরে তাকালাম। পাপিয়া আস্তে আস্তে নাইটি খুলল। বÍা আর পেন্টি পড়ে ও ভিতরে। আমার বাড়াটা তড়াক করে লাফাতে আরম্ভ করল। ও ব্রা আর পেন্টি খুলে উলঙ্গ হয়ে গেল। উৎ

রাত ১০টা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হল। আমি ও কামাল প্রধান ফটকের সামনে দাড়িয়ে কথা বলছি। হঠাৎ আমার পিঠে একটা মৃদু থাপ্পড় মারে কেউ। তাকিয়ে দেখি মনির। ওকে দেখে আমার ঠোঁটে একটা স্মিত হাসি খেলে যায়। এই সেই মনির! যার বেশ কিছু ঘটনা আমার এক বন্ধুর মুখে শুনেছি। যাই হোক, অনেকদিন পরে দেখা হল আমাদের। আমার হাসি দেখে ও বলে, কিরে হাসছিস যে? শুনলাম ভালই নাকি আয় করছিস। তোর তো অনেক ভক্ত স্টুডেন্টও আছে নাকি! আমি বলি, এই গাজাখুরি আপডেট তথ্য কোথা থেকে পেলি? ও বলে, তোর স্টুডেন্টের কাছেই শুনেছি। আমার পরিচিত একটা ছেলে… Read Article →

Scroll To Top