Monthly Archives: October 2014

আমি এবং বস “রোমানিটক ডেভিল”। তখন আমি নতুন চাকুরি নিয়েছি এক অফিসে। অফিস এর প্রথম দিন গুলো যাচ্ছিল। কাজের ব্যস্ততা, কলিগদের সাথে কাজের ফাকে ফাকে…বহরমপুর থেকে বেথুয়ার বাস ছাড়তে এখনো মিনিট ২০ বাকি ৷ নস্কর মশাই তাই তার সদ্য বিবাহিতা মেয়ে প্রতিমা কে নিয়ে ডাবের দোকানে গেলেন ৷ নস্কর মশাই স্কুল পেশায় শিক্ষক , পলাশীর এক প্রত্যন্ত মিরপুর গ্রামে স্কুলে পড়ান ৷ সরকারের দেওয়া মাইনেতে পেট না চললেও কিছু বাস্তু জমি আছে আর আছে খেত ৷ নিতান্ত ভালো মানুষটি জগতের চাল ঢাল কিছুই বোঝেন না ৷ আর গ্রামের এক কোনে পরে থাকা মানুষটি ভগবান বিশ্বাস… Read Article →

শিউলী গার্মেন্টসে কাজ করত, ভাগ্যের লিখনে অথবা তার দুর্ভাগ্যে আমার সৌভাগ্যে অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে তার সাথে একরাত একদিন কাটানোর সুযোগ হয়ছিল। বেশ কয়েকবছর আগের ঘটনা। ঢাকায় ভার্সিটির কয়েক বন্ধু মিলে একটা মেসে থাকতাম। চারজন দুই রুম, ডাইনিং, এক বাথরুম। মন্দ না। বুয়া আসে, রান্না করে, আমরা খাই, ভার্সটিতে যাই, টুকটাক পড়াশুনাও করি। দিন চলে যাইতেছিল। একবছর রমজান মাসে, তখন মনে হয় অলরেডি ২০ রোজা পার হয়ে গেছে। রুমমেট দের মধ্যে রাকিব আর জুনাইদ বাড়ি চলে গেছে। আমি আর শফিক ভাই তখনো ঢাকায়। টিউশনির টাকা না পাওয়ায় আমি তখনো অপেক্ষা করতেছিলাম। বাসার নিচেই চাচামিয়ার মুদি… Read Article →

আমাকে না বলেই ১সম্পাহের জন্য চট্টগ্রাম চলে গেছে। হঠাৎ নানির শরীর খারাপ হওয়ায়। ব্রাশ করে ভাবির সাথে খেতে বসলাম। কিন্তু ভাবি আমার আমার দিকে মিষ্টি করে তাকিয়ে আগের মতো হাসছে। আমি ভাবির মতি গতি কিছু বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ভাবি তুমি হাসছো কেন? তুমি বুঝবে না উত্তর দিল। আমারতো কৌতুহল বাড়তে থাকলো। আসলো কি ব্যাপার? আমি ভাবিকে তেল মারতে থাকলাম এই সেই বলে। কিছুক্ষণ পর ভাবি হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করল “কাল রাতে কি হয়েছিল” কাল রাতে মানে কই কিছু তো হয়নি? জেনে গেল নাকি আমি মনে মনে চিন্তা করলাম। দেখো আমার কাছে লুকিয়ে লাভ নেই… Read Article →

মুন্নির মা। সম্পর্কে ভাবী। প্রায়ই আসতেন, আমরাও যেতাম। এই মহিলাকে চিরকাল দেখেছি শাড়ীটা ব্লাউজের দুই বুকের মাঝখানে ফেলে রাখতে। ফলে ব্লাউজের ভেতর পুরুষ্ট স্তনদুটি বেশ পরিস্কার দেখা যেত। ব্রা পরতেন না। আমি তখন নাইন টেনে পড়ি। ছোট ছিলাম বলে কাপড়চোপড় আমার সামনে সামলে রাখতেন না বোধহয়। ওনার নগ্ন স্তনও দেখেছে অনেকবার। ওনার মেয়েকে ব্লাউস উল্টিয়ে দুধ খাওয়াতেন আমার সামনেই। আমি উঠন্ত যৌবনে তখন। সেই পুরুষ্ট স্তন দেখে উত্তেজিত। দুধ খাওয়ানোর সময় নানান উছিলায় কাছে গিয়ে দেখতাম কমনীয় স্তন যুগল। মাঝে মাঝে বাচ্চার মুখ থেকে বোটাটা সরে গেলে আমি জুলজুল করে তাকিয়ে দেখতাম খয়েরীবোঁটার সৌন্দর্য। মনে… Read Article →

আমার বয়স যখন ১৪ বছর তখন হঠাৎ করে আমার মা বাবা ইমিগ্রান্ট ভিসা নিয়ে আমেরিকার পেনসিলভানিয়ায় চলে যান। আমার ভিসা না হওয়ায় আমাকে দাদির কাছে রেখে যান তারা। আমার দাদি সত্তোর্ধ বুড়ো মানুষ। চোখের পাওয়ার খুবি কম, ভারি কাচের চশমা পড়েন নইলে কিছুই দেখেন না। তার দেখাশুনার করেন কিসমত চাচা আর কিসমত চাচি। দুরসম্পর্কের আত্মীয় হলেও তাদের সাথে আমাদের পারিবারিক ঘনিষ্টতা খুব বেশী। অবশ্য আমার সব চাচারা সপরিবারে আমেরিকায় থাকেন। তাই কিসমত চাচাই আমাদের সহায়। কিসমত চাচার চার মেয়ে। ফারিহা, লুবনা, সায়মা আর রিনা। বয়স যথাক্রমে ২২, ১৯, ১৬ ও ১৪। ফারিহা আর লুবনা বিবাহিতা।… Read Article →

Scroll To Top