Monthly Archives: May 2015

আমার বন্ধুটির নাম নয়ন। আর তার এক সময়ের প্রেমিকা আর এখন বিবাহিত বউটির নাম – আখি। দুজনের প্রেমের বয়স ছিলো চার বছর। আর বিয়ে হয়েছে আর ছয় বছর। ওদের দশ বছরের সম্পর্কে কালি লেগে গেলো একদিন। আখি আমাদের পাশের বিল্ডিং এ থাকতো। প্রায় প্রতিদিন বিকেলে আখি তাদের ছাদে উঠতো। আমিও উঠতাম আমার শখের কোডাক ক্যামেরা নিয়ে। বেশী ছবি তুলতাম না কারন শেষ হয়ে এলেই তো আবার রীল কিনতে হত। যাইহোক, আখি মাঝে মাঝে ইশারা বা কথা বলার চেষ্টা করলেও আমি পাত্তা দেইনি তেমন।

পারভিন আপা তার বান্ধবী জেরিন আপার বাসায় চলে গেল। কেননা তার পুরো পরিবার অর্থাৎ মা, বাবা, ভাইবোন সবাই দেশের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছে, তাই ৪/৫ দিন সে জেরিন আপুর বাসায় থেকে কলেজে যাওয়া আসা করবে। আমার ভাল লাগে না সময় কাটে না, কবে পারভিন আপার সাথে আবার দেখা হবে। তাকে চুমু দিতে, তার ঠোট চুষতে, তার দুধ টিপতে খুব ইচ্ছে করে। পারভিন আপার কথা মনে হলেই আমার ধন লোহার মত শক্ত হয়ে যায়। আমি দিনে রাতে হাত মেরে মেরে নিজেকে ঠাণ্ডা করি আর ভাবি আবার কবে পারভিন আপার সাথে কিছু করতে পারব।

আমার ছোটবেলা থেকেই লজ্জা বোধটা একটু বেশি। বেশ মনে আছে ক্লাস ফোরে পড়ার সময় থেকেই আমি স্নান করে বাথরুমেই জামা প্যান্ট পড়তাম। মা কতদিন বলত সাবান মাখিয়ে দেবার কথা। আমি কিছুতেই রাজি হতাম না। অথচ আজ স্বপ্না বৌদি প্যান্ট খুলে নগ্ন করে দিতে একটুও লজ্জা বা অস্বস্তি হল না। এটাই সেক্সের ম্যাজিক। আমিও চুপ না থেকে হাত দুটো নিয়ে যাই ওর মাইতে। হাত বুলিয়ে দিয়ে টিপতে শুরু করি। ও আমার দিকে তাকিয়ে একটু হেসে লিঙ্গটা নিয়ে খেলতে থাকে। আমি এবার আঁচল ফেলে দিয়ে ওর ব্লাউজের বোতাম খুলতে শুরু করি। খুলতেই দুটো ফর্সা রসালো ছত্রিশ সাইজের… Read Article →

আমি পরের দিন সকাল সকাল পুজাদের বাড়িতে গেলাম। পুজা আমাকে বলল ভাইয়া আজ বাসায় কেও নাই আমি বললাম তাহলে আমি চলে যাই আমি পুজার চোখে কামনার আগুন দেখতে পেলাম। পুজা আমাকে বলল না ভাইয়া আপনি আসেন কেও নেই বলেই তো আজকে মজা করে পড়ব। আমি পুজার কথা কিছুই বুঝতে পারলাম না। তারপর আমি ভিতরে গেলাম। পুজা দেখি ভিতরে গিয়ে ইচ্ছা করেই একটা পাতলা জামা পরে আসলো আর ব্রা পরে নাই। ভারতীয় মেয়ে পুজাকে যে এখন কেমন সেক্সি লাগতেছিল বুঝান যাবে না। পুজা এসে আমাকে বলল ভাইয়া আপনি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকেন কেন। আমি লজ্জা… Read Article →

দোতলার সিঁড়িতে একটিমাত্র পা নামিয়েছেন অশোক বাবু , সঙ্গে সঙ্গে তার মনে পড়লো মেয়ের কথা। তিনি আবার পা তুললেন, নিচে নামলেন না। তাঁকে থামতে দেখে পেছনের দলটাও থেমে গেছে। অজয় , অজয়ের বৌ রানী এবং তাদের পাঁচ বছরের ছেলে রাজু।অশোক বাবু রানীর দিকে তাকালেন। দিন যতই যাচ্ছে মেয়েটার বুকের লাউদুটোর সাইজ ততই বাড়ছে। ছেলের বৌয়ের দিকে আর যাই হোক, কু দৃষ্টিতে তাকানো যায় না। কিন্তু যে হারে বৌমার বুকের দুধজোড়া মৈনাক পর্বতের আকার ধারণ করছে, চোখ ফিরিয়ে নেওয়াও মুস্কিল। অশোক বাবু কোনো রকমে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, ‘বৌমা, আমার আদরের মেয়ে পারুল কোথায়? ওকে দেখছি… Read Article →

Scroll To Top